স্বপ্নদোষ নাকি হস্তমৈথুন কোনটা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিকর?

32
শেয়ার করুনঃ

স্বপ্নদোষ নাকি হস্তমৈথুন- ভেজা স্বপ্ন বা সিক্ত স্বপ্ন (রাত্রিকালীন নির্গমন, সিক্ত স্বপ্ন) যা প্রচলিত বাংলায় স্বপ্নদোষ নামে পরিচিত , তা হল ঘুমের সময় স্বতঃস্ফূর্তভাবে অর্থাৎ কোন সক্রিয় কর্মকান্ড ছাড়াই স্বয়ংক্রিয়ভাবে বীর্য নিঃসরণ ঘটে, যেখানে পুরুষ বা ছেলেদের ক্ষেত্রে বীর্যপাত ঘটে এবং মহিলা বা মেয়েদের ক্ষেত্রে শুধু রাগমোচন বা শুধু যোনি পথ ভিজে যাওয়া বা উভয় ঘটে থাকে।

স্বপ্নদোষ বয়ঃসন্ধি বা উঠতি তারুণ্যে সবচেয়ে বেশী ঘটে থাকে, তবে কোন কোন ক্ষেত্রে বয়ঃসন্ধিকাল পার হবার অনেক পরেও এটি ঘটতে পারে। মহিলাদের ক্ষেত্রে যোনিপথ পিচ্ছিল থাকা সকল ক্ষেত্রে স্বপ্নদোষের বিষয়ে নিশ্চয়তা প্রদান করতে পারে না।

হস্তমৈথুনঃ প্রথমত হস্তমৈথুন মানে যৌন পরিতোষের জন্য পুরুষের লিঙ্গ অথবা নারী তার ভগাঙ্কুর ঘর্ষণ এবং স্তন স্পর্শ করে যৌন আনন্দ উপভোগ করা। এটা একটা স্বাভাবিক উপায় নারী-পুরুষের নিজস্ব অনুভুতি এক্সপ্লোর করার জন্য।

হস্তমৈথুন নিজে নিজে অথবা দুটি মানুষের (পারস্পরিক হস্তমৈথুন) মধ্যে হতে পারে। মূলত যৌন স্বাস্থ্যের জন্য দুইটাই ক্ষতিকর। স্বল্প স্বপ্নদোষ ক্ষতিকর নয়। কিন্তু অধিক স্বপ্নদোষ স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। এতে স্বাস্থ্যহানি হতে পারে। স্বল্প স্বপ্নদোষ হয় বীর্যথলীতে অতিরিক্ত বীর্য জমে যাওয়ার কারণে। এরকমটি হলে চিকিৎসার প্রয়োজন।

ভালো একজন ডাক্তার দ্বারা চিকিৎসা নিলে অবশ্যই এর কুফল থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। হস্তমৈথুনের ফলে লিঙ্গের মারাত্মক ক্ষতি হয়।

লিঙ্গের যৌনাভুতি কমে যায়। রাসূল সাঃ বলেছেন, যারা হস্তমৈথুন করে তারা সহবাসের মজা পাবে না।

এবার মজার কিছু তথ্য

বিছানায় ৫০ শতাংশ নারীই পরপুরুষের কথা ভাবেন!

বিছানায় ৫০ শতাংশ নারীই- বিছানায় ৫০ শতাংশ মহিলাই পরপুরুষের কথা ভাবেন! সম্প্রতি ‘লাভহানি’ নামের একটি সংস্থা বিভিন্ন দেশের নারীদের উপরে একটি বিস্তৃত সমীক্ষা চালিয়েছিল। এতে করে চমক প্রদত্ত সব তথ্য বেরিয়ে এসেছে।

ওই সমীক্ষার মূল প্রশ্ন ছিল, সেক্স বা শারীরিক সম্পর্ক করার সময়ে এবং আগে ও পরে সেই মুহূর্তের সঙ্গী ছাড়া মাথায় অন্য কারো চিন্তা আসে কিনা। এ প্রশ্নের উত্তর যা এসেছে, তা শুনলে অবাক হয়ে যাবেন সবাই।

উত্তরে ৫০ শতাংশ নারীই বলেছেন, তারা নাকি অন্য পুরুষের কথা চিন্তা করেন। এটা শোনার পর আপনি কী ভাবছেন? আর হ্যাঁ!

এখানেই শেষ নয়, অপেক্ষা করুন। এ বিষয়ে আরো চমক জাগানো তথ্য আছে।

এই সব নারীরা ওই সময় যাদের কথা ভাবেন, তারা কিন্তু হলিউড-বলিউড-ঢালিউডের কোনো সু-দর্শন নায়ক নন।

তারা আশপাশেই চলাফেরা করেন, হতে পারে বন্ধু মহলেই রয়েছেন তিনি কিংবা কাছের কেউ।

সমীক্ষা চালানো ওই নারীদের কাছে জানতে চাওয়অ হয় এঁরা কারা? এই প্রশ্নের উত্তরে ২০ শতাংশ মহিলা অফিসের বস্-এর কথা বলেছেন।

এদের ৮ শতাংশ আবার নানা সময়ে তাদের শয্যাসঙ্গীও হয়েছেন।

এক-তৃতীয়াংশ নারীরা তাদের ‘প্রাক্তন’-দের কথা চিন্তা করেন।

১২ শতাংশ নারীরা স্বীকার করেছেন, হর-হামেশাই তাদের মাথায় ঘোরাফেরা করেন প্রাক্তন’রা।

এমন মুহূর্তে পুরুষের মাথায় অন্য নারীর কথা আসে ঠিকই। কিন্তু সেটা নারীদের চিন্তার থেকে খুবই কম।

এ বিষয়ে সর্বশেষে আরো একটি তথ্য হলো- পরপুরুষের কথা কল্পনা করে এদের বেশির ভাগই কোনো রকম গ্লানিতে ভোগেন না।

ওই সমীক্ষায় এমনটিই উঠে এসেছে।

⇒ লেখাটি ভালো লাগলে প্লিজ বন্ধুদের সাথে শেয়ার করবেন। শেয়ার করতে √ এখানে ক্লিক করুন

আপনার ফেসবুক একাউন্ট থেকে খুব সহজেই কমেন্ট করুন

মন্তব্য করুনঃ

দয়া করে আপনার মন্তব্য লিখুন
দয়া করে আপনার নাম লিখুন

16 − 12 =