শাড়ি পরা

শাড়িতেই নারী- উপমহাদেশের নারীদের জন্য কথাটি শতভাগ ঠিক। আবেদন, আকর্ষন আর রক্ষনশীলতায় শাড়ির ব্যবহার দৈনন্দিন জীবনে, উৎসবে, আয়োজনে। কিন্তু শাড়িরও রয়েছে হাজারো রকমফের। ফুরফুরে শিফন থেকে শুরু করে ভারী গর্জেট, বেনারসি, বোমকাই, কাঞ্জিভরম এবং আরও অনেক। তবে শরীরের গঠন অনুযায়ী একেক ধরনের শাড়ি একেক ধরনের দেহে মানায়।

বলিউড অভিনেত্রী মুমতাজ- তার শারীরিক গঠন মনে আছে? না মনে থাকলে গুগুল ইমেজে দেখে নিন। আওয়ার গ্লাস ফিগারের ব্যাপারে আইডিয়া পেয়ে যাবেন। ৩৬-২৪-৩৬, একেবারে এই ফিগারই মেয়েরা কামনা করে আজীবন। সিল্ক বা সুতির শাড়ি তো বটেই, শিফনও শাড়িও মানিয়ে যায় ওয়ার গ্লাস ফিগারে। তবে চোখ বন্ধ করে যেকোন শাড়ি বেছে নিলেও বেমানান লাগবে না। অমন গঠন বলে কথা!

শরীরের উপরের অংশ ভারী হয় যে সব নারী, সেই ফিগারকেই অ্যাপেল শেপড ফিগার বলে। তাঁত বা সিল্ক সেই ফিগারে জন্য আদর্শ। নেট ফেব্রিকের কাপড়ও মানায় ভালো। মোটা ওয়েস্ট লাইন লুকোতে লম্বা ব্লাউজ পরুন। নাভির বেশি নীচে শাড়ি পরবেন না, নাভি বরাবর শাড়ি পরবেন। সেই শাড়িতে যেন নকশা করা থাকে। প্লেন জমিনের শাড়ি শরীরকে আড়াল করে কম।

যে নারীর শরীরের নিচের অংশ ভারী, তিনি নিঃসন্দেহে শিফন বা গর্জেট পরতে পারেন। এমন পিয়ার শেপড ফিগারে দেহের ভারসাম্য ঠিক থাকে। শরীরের সঙ্গে পেঁচিয়ে মারমেড-কাট শাড়ি পরবেন না। তাতে শরীরের নিচের অংশ আরও ভারী লাগবে।

উচ্চতা কম হলে হালকা প্রিন্ট বা ফ্যাব্রিকের কাপড় পরা উচিত। শাড়ির বর্ডার যেন সরু হয়। সরু বর্ডারের শাড়ি পরলে অনেক লম্বা দেখায়। গাঢ় প্রিন্ট বা মোটা বর্ডার এড়িয়ে চলুন। স্ট্রাইপ পরলে আড়াআড়ি স্ট্রাইপ পরা ঠিক না, তাতে উচ্চতা আরও কম দেখায়।

বি:দ্র: প্রতিটি লেখার নিয়মিত আপডেট পেতে আমাদের ফেসবুকপেজ-এ লাইক দিন এবং বন্ধুদের সাথে শেয়ার করতে পারেন। যেকোন বিষয়ে জানতে চাইলে এবং আপনার কোন লেখা প্রকাশ করতে চাইলে আমাদের ফেসবুক পেজ বিডি লাইফ এ যেয়ে ম্যাসেজ করতে পারেন।

খবরগুলো আপনার ফেসবুক হোমপেজে নিয়মিত আপডেট পেতে লাইক করুন