Hymens

সব মেয়ে বাবুদের জন্য অত্যান্ত জরুরী তার প্রাইভেট পোর্টের ছিদ্র সুস্থ্য ও ঠিক আছে কি’না সেটা চেক করা।

আজকে কথা বলব বাচ্চার hymen নিয়ে। অনেক বাচ্চার জন্মগত একটা সমস্যা থাকে, প্রাইভেট পার্টে ছিদ্র থাকে না।বাচ্চা হওয়ার সাথে সাথে almost সব হাসপাতালেই বাচ্চার পুরা চেক আপ করা হয়।কিন্তু যাদের বাচ্চার চেক আপ হয়নি,তারা প্লিজ চেক করে দেখেন,কারণ এটা নরমালি বাইরে থেকে বুঝা যায় না।

আমি পি এর রাস্তার কথা বলছি না, যে রাস্তা দিয়ে পিরিয়ড হয়,যে রাস্তা দিয়ে বাচ্চা নরমাল ডেলিভারি হয়, যে রাস্তা দিয়ে ইন্টারকোর্স করা হয়, সেই ছিদ্রের কথা বলছি।

আপনারা নিজের মেয়ে বাচ্চার প্রাইভেট পার্ট একবার চেক করে দেখেন।আর অন্য পরিচিতদের কেও এটা জানান।

বাচ্চা ঘুমালে টর্চ দিয়ে ভালো ভাবে দেখেন ছিদ্র আছে কিনা নাকি শুধু চামড়া দেখা যায়? অনেকে পি এর রাস্তার সাথে কনফিউসড হয়ে যায়। যদি ছিদ্র না থাকে, তো ভয় পাবেন না। ছোট থাকতে বুঝা গেলে ট্রিটমেন্ট এ তাড়াতাড়ি ঠিক হয়ে যায়।

নিচের ছবিটি ভাল করে খেয়াল করুন। Hymens

**১নং তা পারফেক্ট, সুস্থ hymen.

**২নং এর মত যদি হয়, সে সেটা ছোট থাকতে (নিউবর্ন থেকে সাধারণত ১২বছর পর্যন্ত,কারণ সাধানোট ১২বছরের পর মেয়েদের পিরিয়ড হয়ে যায়) ধরা পড়ে তো ম্যাক্সিমাম ক্ষেত্রে ডাক্তার শুধু ওয়েনমেন্ট দেয়,সেটা ইউজ করলেই নতুন ছিদ্র হয়ে যায়।
একবার ছিদ্র হওয়ার পর বাচ্চা বড় হতে হতে অনেকের আবার ছিদ্র বন্ধ হয়ে যেতে পারে। সেই ক্ষেত্রে অপারেশন বেস্ট অপশন, আর এটা পার্মানেন্ট।
ওই চামড়াটা যদি খুব মোটা হয় এবং মলমে না যায়, তো অপারেশন একমাত্র উপায়।

বাইরে থেকে এর সিম্পটম খুব একটা বুঝা যায় না, অনেক বাচ্চার পি এর সময় জ্বলতে পারে, সে কান্না করতে পারে, তার ইচিং হতে পারে। কিন্তু এইসব করলেই যে তার ছিদ্র নাই, সেটা না। শিওর একমাত্র হওয়া যায় চেক করলে পরে।

**৩নং থেকে ৭নং যদি করো হয়, তাদের ছিদ্র আছে, কিন্তু সেটা পারফেক্ট না। এ রকম হলে ছোট্ট একটা অপারেশন করে ঠিক করা যায়, যে কোন বয়সে। এই ক্ষেত্রে আবার মলম কাজ করবে না, এবং বাচ্চা বড় হতে হতে ট্রিটমেন্ট ছাড়া এটা ঠিক হবে না।

**৮নং এবং ১০নং ঠিক, কিন্তু একটু ভিন্ন ধরনের, এমন মেয়ের পিরিয়ড হবে, ইন্টারকোর্স ও করতে পারবে।

**৯নং বাচ্চা নরমাল ডেলিভারির পরবর্তী hymen. তখন ছিদ্রটা বড় হয়ে যায় কিছুটা।

আবার বলছি, লজ্জা না পেয়ে নিজের বাচ্চারটা চেক করেন। অন্যকে জানান।
আর অশিক্ষিতের মতো ভাববেন না এটা বড় হলে ঠিক হয়ে যাবে। কেউ এমন পরামর্শ দিলে তাকে পুরাপুরি ইগনোর করুন। মনে কোন ডাউট হলে সব লজ্জা, দ্বিধা কাটায় গায়নীর কাছে যান। সে ডিলেইলস চেক করে, সিউরলি জানাবে।

এখন যদি লজ্জা পেয়ে বা পরে ঠিক হওয়ার আসায় বসে থাকেন তো পরে আপনার মেয়ের ভবিষ্যৎ নষ্ট করার পুরা দায়িত্ব আপনার একার হবে।
এমন সমস্যা থাকলে এবং চিকিৎসা করা না হলে সেই মেয়ের কখনো পিরিয়ড হবে না, তার কোন ম্যারেড লাইফ থাকবে না, সে কখনো মা হতে পারবে না।

সময় মত প্রপার ট্রিটমেন্টে বাচ্চা সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে যায় এবং যে কোন অন্য মেয়েদের মতো লাইফ লিড করতে পারে।
নিজে না বুঝলে মা বা শাশুড়ি কাউকে বলেন বা বাচ্চার রেগুলার ডাক্তারকে চেক করতে বলেন। তার সাথে কম্ফোর্টেবল না লাগলে, কোন গাইনি কে দেখান।দয়া করে লজ্জা পাবেন না। ভয়ও পাবেন না, খুব ইজি চিকিৎসা আছে।

আবার বলছি, ছিদ্র না থাকলে সমস্যা, থাকলে ঠিক।

যেভাবে চেক করবেন
বাচ্চাকে দুই পা ছড়ায় সোয়াবেন। ভাজাইনায় ফুলের পাপড়ির মতো যে অংশ থাকে, সেটাকে দুই আঙ্গুল দিয়ে যথা সম্ভব ফাক করবেন। একটু ভিতরের দিকে থাকে, তাই একটু বেশি সরাতে হবে। টর্চ দিয়ে দেখবেন, ছিদ্র দেখা যায় কিনা।
বাচ্চাকে উপুড় করে শুয়ায়েও সেইম ভাবে দেখা যায়। এতে আরো ভালো ভাবে বুঝা যায়।

বি:দ্র: যদি বুঝতে সমস্যা হয়, তবে এখনিই আপনার নিকটস্থ ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করুন।

বি:দ্র: আমাদের প্রতিটি লেখার নিয়মিত আপডেট পেতে আমাদের ফেসবুকপেজ-এ লাইক দিন এবং বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন। আপনার মনে কোন প্রশ্ন থাকলে এবং যেকোন বিষয়ে জানতে চাইলে অথবা আপনার কোন লেখা প্রকাশ করতে চাইলে আমাদের ফেসবুক পেজ বিডি লাইফ এ যেয়ে ম্যাসেজ করতে পারেন।

ফেসবুকের হোমপেজে নিয়মিত আপডেট পেতে নিচের লাইক বাটনে ক্লিক করুন

⇒ লেখাটি ভালো লাগলে প্লিজ বন্ধুদের সাথে শেয়ার করবেন। শেয়ার করতে √ এখানে ক্লিক করুন

আপনার ফেসবুক একাউন্ট থেকে খুব সহজেই কমেন্ট করুন

মন্তব্য করুনঃ

দয়া করে আপনার মন্তব্য লিখুন
দয়া করে আপনার নাম লিখুন

4 − three =