বিয়ের সাজ

সাধারণত এশিয়া কনটেন্ট এর কনেরা এমনিতেই একটু লাবণ্যময়ী রূপের অধিকারী হয়।সাথে মেইক-আপটি যদি নিখুঁত ও গ্ল্যামারাস হয় তা হলে তো কথাই নেই । চলুন জেনে নিই তাহলে কিছু বিয়ের সাজ সম্পর্কিত বিষয়-

০১। বিয়ের অন্তত ৬ মাস আগে থেকে একজন মেইক-আপ আর্টিস্টের সাথে যোগাযোগ করুন। আপনার নিজের ইচ্ছে ও পরিকল্পনার কথা তাকে জানান এবং এর সাথে প্রাসঙ্গিক বিষয়গুলোও তার কাছ থেকে পরামর্শ নিয়ে নিন।

০২। মেইক-আপ বাজেটের কথা আবার ভুলে যাবেন না যেন। কারণ আপনাকে বেশ খানিকটা অর্থ কিন্তু খরচ করতেই হবে, যদি আপনি চান মেইক-আপ আর্টিস্ট পুরোটা সময় জুড়ে আপনার পাশে থাকুক। এক্ষেত্রে আপনি খরচ কমাতে আর্টিস্টকে প্রচুর ক্লায়েন্ট অফার করতে পারেন, যেমন আপনার আত্মীয়-স্বজন কিংবা বান্ধবীদেরকে ওই মেইক-আপ আর্টিস্টের কাছে পাঠাতে পারেন।

০৩। মেইক-আপ আর্টিস্টের নিজস্ব স্টাইলের সাথে মানিয়ে নিন। তার কাজের পোর্টফোলিও চেক করুন, অন্যান্য ক্লায়েন্টদের সাথে কথা বলুন, ট্রায়াল মেইক-আপ সেশনের ব্যবস্থা থাকলে তাও পরখ করে দেখুন। এছাড়া তার দেয়া ইউনিক টিপসগুলোর প্রতিও নজর দিতে পারেন।

০৪। ট্রায়াল সেশানগুলোর জন্যও একটি বাজেট বরাদ্দ রাখুন। কারণ আর্টিস্ট কিন্তু আপনার সেরা সাজটিকে আনার জন্য সময় ও পরিশ্রম করে যাচ্ছেন।

০৫। ট্রায়াল সেশনে উপস্থিত হবেন আপনার বিয়ের পোশাকেই। কারণ একটি কালো ফতুয়া বা এই ধরণের কোন পোশাক কিন্তু আপনার বিয়ের সাজকে পূর্ণাঙ্গভাবে ফুটিয়ে তুলতে পারবে না।

০৬। চুলের স্টাইলকে আকর্ষনীয় ও উৎসবমুখর দেখাতে ওড়নার ব্যবহারে একটু নজর দিন। অনেক সময় দারুন সব চুলের স্টাইল ভারী ওড়নার নিচে হারিয়ে যায়।

০৭। রেফারেন্স হিসেবে ট্রায়াল সেশানের ছবিগুলো রেখে দিতে পারেন, এতে সুবিধা হয়। তবে মনে রাখবেন প্রত্যেকটা সাজই যেন আপনার বৈশিষ্ট্য, চুল এবং গাত্রবর্ণকে ফুটিয়ে তোলে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, আপনি যদি মোগল সাজে সাজতে চান, আপনাকে আপনার মতই দেখতে লাগা উচিৎ, অন্য কারো মত নয় । অর্থাৎ বিয়ের সাজে নিজের অনন্যতাকেই ফুটিয়ে তুলুন।

০৮। আর্টিস্টের পরামর্শকে গুরুত্ব দিন। তিনি জানেন কোন রঙ, কোন মাত্রায় ব্যবহার করলে তা আপনার রূপকে ফুটিয়ে তুলবে।

০৯। বিভিন্ন ধরণের কৃত্রিম আই ল্যাশ এখন পাওয়া যায়। সবগুলোই নিজের চোখে বসিয়ে পরখ করে নিন কোনটায় কেমন লাগছে। এক্সটেনশান, ইন্ডিভিজুয়াল ল্যাশ অথবা কাস্টমাইজড ফুল সেট – সবগুলোই পরখ করে দেখুন।

১০। আলোর পরিস্থিতি অনুযায়ী রঙও বদল হয়। যেমন ধরুন আপনি সান্ধ্য অনুষ্ঠানের জন্য ট্রায়াল নিলে, আপনার ফটোসেশান হবে সফট মুড লাইটিঙে, যেটি প্রখর রৌদ্রে করলে হয়তবা আপনার মেইক-আপকে অনেক উজ্জ্বল দেখাবে। কাজেই আলোর ধরণ বুঝে মেইক-আপ বিচার করুন ।

১১। বিয়ের অন্তত ৩ মাস আগে থেকে না পারলে ১ মাস আগে থেকে diat plan করুন ।

১২। এছারা স্পা treatment নিতে পারেন ।

ভাল থাকুন, আর হাসিখুসি থাকুন ।

বি:দ্র: আমাদের প্রতিটি লেখার নিয়মিত আপডেট পেতে আমাদের ফেসবুকপেজ-এ লাইক দিন এবং বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন। আপনার মনে কোন প্রশ্ন থাকলে এবং যেকোন বিষয়ে জানতে চাইলে অথবা আপনার কোন লেখা প্রকাশ করতে চাইলে আমাদের ফেসবুক পেজ বিডি লাইফ এ যেয়ে ম্যাসেজ করতে পারেন।

ফেসবুকের হোমপেজে নিয়মিত আপডেট পেতে নিচের লাইক বাটনে ক্লিক করুন

⇒ লেখাটি ভালো লাগলে প্লিজ বন্ধুদের সাথে শেয়ার করবেন। শেয়ার করতে √ এখানে ক্লিক করুন

আপনার ফেসবুক একাউন্ট থেকে খুব সহজেই কমেন্ট করুন

মন্তব্য করুনঃ

দয়া করে আপনার মন্তব্য লিখুন
দয়া করে আপনার নাম লিখুন

6 − six =