Animal Sanctuary

আজ ৫ জুন, বিশ্ব পরিবেশ দিবসে বাংলাদেশের সর্বপ্রথম জেলা হিসেবে চুয়াডাঙ্গা জেলাকে বন্যপ্রাণী ও পাখির মুক্ত অভয়ারণ্য ঘোষণা করা হলো।

বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য (ইংরেজি: Animal Sanctuary) হলো এমন এলাকা, যেখানে বন্যপ্রাণী ও পাখিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয় এবং তাদের প্রজনন ও আবাস নিরাপদ রাখতে শিকারিদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।Animal Sanctuary Bangladesh

সাধারণত বন্যপ্রাণীর নিরাপদ পরিবেশ, তাদের স্বাভাবিক কিংবা বর্ধিত প্রজনন পরিবেশ, বন্যপ্রাণীর স্বাভাবিক সংখ্যা এবং বৃক্ষরাজি কিংবা ঔষধি বৃক্ষরাজির নিরাপদ সংরক্ষণে সরকার কিংবা নির্বাহী কর্তৃপক্ষ কর্তৃক কোনো এলাকাকে অভয়ারণ্য ঘোষণা করা হয়।Animal Sanctuary Bangladesh

অভয়ারণ্য ঘোষণা করার মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয়:
১. ঐ এলাকার পাখি যেন ক্রয়/বিক্রয় বা ধ্বংস না হয়।
২. পশুপাখিদের শান্তি ও নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে এমন কাজ থেকে যেন এই এলাকা মুক্ত থাকে।
পাশাপাশি, বাইরে থেকে শিকারিরা যাতে প্রবেশ না করতে পারে।Animal Sanctuary Bangladesh

এ বিষয়ে চুয়াডাঙ্গার অগ্রগতি:

ইতোমধ্যে জেলা প্রশাসকের বাসভবন, কার্যালয়, ডিসি ইকো পার্ক এবং সার্কিট হাউজে পাখির অভয়াশ্রম তৈরি করা হয়েছে। Animal Sanctuary Bangladesh

সদর উপজেলার বেলগাছি গ্রাম কয়েক বছর যাবত ‘পাখির গ্রাম’ নামে পরিচিত; এখন পুরো গ্রামটিই পাখির অভয়ারণ্য।Animal Sanctuary Bangladesh

দামুড়হুদা উপজেলার দলকা বিল, আলমডাঙ্গা উপজেলার পাখির গ্রাম বন্ডবিল অভয়ারণ্য হিসেবে ঘোষিত।Animal Sanctuary Bangladesh

সদর উপজেলা পরিষদ চত্বর, দৈনিক মাথাভাঙ্গা পত্রিকা অফিস, চুয়াডাঙ্গা ও আলমডাঙ্গা রেল স্টেশন, চুয়াডাঙ্গা সরকারি অফিসার্স কোয়ার্টারেও পাখির জন্য নিরাপদ আবাসস্থল তৈরি ও সংরক্ষণ করা হচ্ছে।

Animal Sanctuary Bangladeshজীবননগর উপজেলার সীমান্ত ইউনিয়নের ফরমান মন্ডলের বাগানবাড়িও পাখির অভয়ারণ্য।

Animal Sanctuary Bangladeshআইনে কী আছে-

যদি কোনো ব্যক্তি এয়ারগান, বিষটোপ এবং কারেন্ট জাল দিয়ে বন্যপ্রাণী ও পাখি শিকার, ক্রয়-বিক্রয় করে তাহলে তাকে বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ) আইন, ২০১২ এর আওতায় শাস্তির (১-২ বছরের কারাদন্ড, ১-২ লক্ষ টাকা অর্থদন্ড বা উভয়দন্ড) ব্যবস্থা করা হবে।

আপনার করণীয় :

১। কাউকে অবৈধভাবে বন্যপ্রাণী শিকার বা ক্রয়- বিক্রয় করতে দেখলে অনতিবিলম্বে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনকে অবহিত করা।

২। পাখি নিধনে ব্যবহৃত সকল এয়ারগান ও এর ব্যবহারকারী সম্পর্কে তথ্য প্রদান।

৩। জমি/বাসাবাড়িতে নিচের ছবির মত বা অন্য উপায়ে পাখি/বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে উৎসাহিত করা।

৪। সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে পর্যাপ্ত প্রচারণা।

বি:দ্র: আমাদের প্রতিটি লেখার নিয়মিত আপডেট পেতে আমাদের ফেসবুকপেজ-এ লাইক দিন এবং বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন। আপনার মনে কোন প্রশ্ন থাকলে এবং যেকোন বিষয়ে জানতে চাইলে অথবা আপনার কোন লেখা প্রকাশ করতে চাইলে আমাদের ফেসবুক পেজ বিডি লাইফ এ যেয়ে ম্যাসেজ করতে পারেন।

ফেসবুকের হোমপেজে নিয়মিত আপডেট পেতে নিচের লাইক বাটনে ক্লিক করুন

⇒ লেখাটি ভালো লাগলে প্লিজ বন্ধুদের সাথে শেয়ার করবেন। শেয়ার করতে √ এখানে ক্লিক করুন

আপনার ফেসবুক একাউন্ট থেকে খুব সহজেই কমেন্ট করুন

মন্তব্য করুনঃ

দয়া করে আপনার মন্তব্য লিখুন
দয়া করে আপনার নাম লিখুন

twelve − 8 =