ডায়রিয়ার প্রভাব

অসহ্য গরম আর নিরাপদ পানির অভাবে তীব্র ডায়রিয়ার প্রকোপ বেড়েছে রাজধানীতে। আক্রান্তের ৩০ শতাংশ শিশু হলেও সিংহভাগই বয়স্ক রোগী। সমস্যা সমাধানে পানির বিশুদ্ধতা নিশ্চিত হয়েই পান করার পরামর্শ চিকিৎসকদের।

পাশাপাশি শরীরে দ্রুত পানি শূন্যতার পাশাপাশি ডায়রিয়ার লক্ষণ দেখা দিলেই রোগীকে নিকটবর্তী স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যাবার আহ্বান চিকিৎসকদের।

ডায়রিয়ায় আক্রান্ত রোগীর চাপ বাড়ায় হাসপাতালে আইসিডিডিআরবিতে টানানো হয়েছে অস্থায়ী তাবু। গত তিন দিনেই গড়ে ভর্তি রোগীর সংখ্যা পৌঁছেছে ৯শ তে। তবে এবার গরমের শুরুতেই প্রকোপ বাড়ায় আক্রান্তের ৩৫ শতাংশই এসেছে তীব্র ডায়রিয়া নিয়ে।

এক রোগী বলেন, আমার শরীরের অবস্থা এত খারাপ হলো যে দাঁড়ানোর শক্তি ছিল না। কেউ কেউ বলছেন, শহরে এসে পানি খাওয়ার ফলে এ সমস্যা হচ্ছে।

গরমে পিপাসার্ত মানুষের পানি পানের চাহিদা বাড়লেও বিশুদ্ধ পানির সরবরাহ বাড়ে না সেইভাবে। প্রয়োজন মেটাতে নিরাপদ অনিরাপদ বাছ বিচার না করায় পানিবাহিত এই রোগে সহজেই ধরাশায়ী হন রোগীরা।

চিকিৎসকরা বলছেন, গরমে ডায়রিয়ার ব্যাকটেরিয়ার প্রজনন বেড়ে যায় ব্যাপকভাবে। তাই এই মৌসুমে তাজা খাবার গ্রহণ ও প্রতিবার খাবার আগে ভালোভাবে হাত ধোয়ার পরামর্শ চিকিৎসকদের।

আইসিডিডিআরবি হাসপাতালের প্রধান অধ্যাপক ডা. আজহারুল ইসলাম খান বলেন, শিশুদের শুধুমাত্র বুকের দুধ খাওয়ানো উচিৎ। আর বিশুদ্ধ পানি ব্যবহার করা দরকার। এর কোনো বিকল্প নেই।

বিএসএমএমইউ’র মেডিসিন বিভাগের কনসালট্যান্ট ডা. নাহিদ সাজ্জাদ বলেন, বাসি ও পচা খাবারতো খাওয়া যাবেই না বরং রেস্টুরেন্টের খাবারও হাইজেনিক হতে হবে।

আইসিডিডিআরবিতে ভর্তি হওয়া ৬৫ থেকে ৭০ শতাংশই বয়স্ক রোগী। কাজের কারণে বাইরে থাকায় যাদের অধিকাংশই নিরাপদ পানি থেকে বঞ্চিত হন। এই গরমে তাই প্রয়োজনীয় পরিমাণ বিশুদ্ধ পানি সঙ্গে নিয়ে বাড়ির বাইরে বের হবার পরামর্শ চিকিৎসকদের।

খবর: সময় টিভি

বি:দ্র: প্রতিটি লেখার নিয়মিত আপডেট পেতে আমাদের ফেসবুকপেজ-এ লাইক দিন এবং বন্ধুদের সাথে শেয়ার করতে পারেন। যেকোন বিষয়ে জানতে চাইলে এবং আপনার কোন লেখা প্রকাশ করতে চাইলে আমাদের ফেসবুক পেজ বিডি লাইফ এ যেয়ে ম্যাসেজ করতে পারেন।

খবরগুলো আপনার ফেসবুক হোমপেজে নিয়মিত আপডেট পেতে লাইক করুন