আপনার কম্পিউটার এবং মোবাইল ভাইরাসমুক্ত রাখতে হলে

34
শেয়ার করুনঃ

কম্পিউটার বা স্মার্টফোন ব্যবহার করে ভাইরাসের শিকার হননি এমন মানুষ বিরল। যদি ইন্টারনেট ব্যবহারকারী হয়ে থাকেন তাহলে জেনে রাখুন প্রতি ঘণ্টায় আপনার ডিভাইসে হাজির হয় ভাইরাস।

যেখানে-সেখানে যে কোনো সিডি, পেনড্রাইভ পেলে নগদেই তা আপনার কম্পিউটারে লাগান, লোকাল বাসে পাশের যাত্রীর মোবাইলে নতুন কোনো টিউন শুনলেই যেচে গিয়ে তাকে বলুন ‘ভাই, রিংটোনটা যদি দিতেন, পিলিজ!’ কিংবা ফেইসবুকের ওয়ালে যে যা কিছুই পোস্ট করুক না কেন দেখামাত্রই ক্লিক – ইত্যাদি থেকে আসতে পারে ভায়রাস।

উইকিপিডিয়ার তথ্যমতে প্রটেকশনবিহীন কোনো ডিভাইস ভাইরাসের চূড়ান্ত আক্রমণের শিকার হলে অপারেটিং সিস্টেম পুনরায় ইন্সটল করা ছাড়া সাধারণত আর কোনো উপায় থাকে না।

ভাইরাসের হাত থেকে বাঁচার আসলে একটাই সমাধান- কম্পিউটার বা মোবাইল, অনলাইন বা অফলাইন, ব্যক্তিগত বা প্রাতিষ্ঠানিক যে মাধ্যমেই আপনি কম্পিউটিং প্রযুক্তির গ্রাহক হন না কেন আজই আপনার ডিভাইসে একটি এন্টিভাইরাস ইন্সটল করে নিন।

এন্টিভাইরাস শুধু আপনার কম্পিউটার বা স্মার্টফোনে থাকা পুরনো ভাইরাস দূর করে নতুন করে যেন আর কোনো ভাইরাস আপনার ডিভাইসের সংস্পর্শে আসতে না পারে তা-ই নিশ্চিত করবে না, বরং তার পাশাপাশি আপনার সার্বিক নিরাপত্তাসহ বৃদ্ধি করবে আপনার ডিভাইসের পারফর্মেন্স। তবে আপনার ডিভাইসটি যদি আগে থেকেই ভাইরােস আক্রমনের শিকার হয়ে থাকে, তাহলে এ্ন্টিভাইরাস দিয়ে কিছু হবে না।

ভাল এন্টিভাইরাস ব্যবহার করুন। পারলে সবসময় আপডেট দিয়ে রাখুন অথবা অটো আপডেট এ্যাকটিভ রাখুন। যে কোন সিডি, পেনড্রাইভ ডাবল ক্লিক করে ওপেন করবেন না। মাউসের ডান বোতাম ক্লিক করে ওপেন করুন। ফায়ার ওয়াল অন রাখুন। ফ্রি সফটওয়্যার থেকে বিরত থাকুন।

বি:দ্র: আমাদের প্রতিটি লেখার নিয়মিত আপডেট পেতে আমাদের ফেসবুকপেজ-এ লাইক দিন এবং বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন। আপনার মনে কোন প্রশ্ন থাকলে এবং যেকোন বিষয়ে জানতে চাইলে অথবা আপনার কোন লেখা প্রকাশ করতে চাইলে আমাদের ফেসবুক পেজ বিডি লাইফ এ যেয়ে ম্যাসেজ করতে পারেন।

ফেসবুকের হোমপেজে নিয়মিত আপডেট পেতে নিচের লাইক বাটনে ক্লিক করুন

⇒ লেখাটি ভালো লাগলে প্লিজ বন্ধুদের সাথে শেয়ার করবেন। শেয়ার করতে √ এখানে ক্লিক করুন

আপনার ফেসবুক একাউন্ট থেকে খুব সহজেই কমেন্ট করুন

মন্তব্য করুনঃ

দয়া করে আপনার মন্তব্য লিখুন
দয়া করে আপনার নাম লিখুন

four + eighteen =