বুদ্ধিমান মানুষ

মানুষ সামাজিক জীব। সামাজিক জীব হিসেবে মানুষের অনেক দায় দায়িত্ব রয়েছে। আমাদের সমাজ কখনও সরল হয় না, সমাজ কন্টকাকীর্ন। তাই বুদ্ধিমান মানুষ খুব হিসেব করে সমাজের মানুষের সাথে কথা বলে। এই কথা বলার ফাঁকে কখনও তর্ক বেধে যায়। তাই এখনই জেনে নেই এই বিষয় গুলো কি কি?

(১) অর্থঃ বুদ্ধিমান মানুষ সব সময় লেনদেনের ক্ষেত্রে সতর্ক বজায় রাখে। তারা কখনও কারো সাথে অর্থ নিয়ে তর্কাতর্কিতে লিপ্ত হয় না। অর্থ অনর্থের মূল-এই কথার চরমভাবে উপলদ্ধি থেকে তারা অর্থ নিয়ে খুব হিসেব করে কথা বলে। কাওকে টাকা ধার দিলে সেটার পাই টু পাই হিসেব রাখে এবং যথাপযোক্ত উপায়ে তা আদায় করে। আমরা প্রায়শই বিভিন্ন খবরে দেখি পাওনা টাকা আদায় বা অন্য যে কোন অর্থ সংক্রান্ত বিষয়ে মাঝে মাঝে খুনাখুনি হয়। কিন্তু বুদ্ধিমান মানুষ সব সময় অর্থের ক্ষেত্রে সতর্কভাবে তার স্টেপস ফেলে।

(২) রাজনীতিঃ বুদ্ধিমান মানুষ সব সময় রাজনৈতিক আলোচনার ক্ষেত্রে নিরপেক্ষতা বজায় রাখে। কারন রাজনীতির সাথে মানুষের আবেগ খুব তীব্রভাবে জড়িত। একটি ভুল কথা কিংবা একটি সমালোচনা করে ফেললে অনেক সময় আশেপাশের সে কথাটি মনের মাঝে গেঁথে যায়। ফলে একটি তিক্ততার সৃষ্টি হয়। তিক্ততা থেকে মারামারি এমনকি খুনাখুনি পর্যন্ত হয়। যেমন- বুদ্ধিমান মানুষ একটি রাজনৈতিক দলের সাপোর্ট করলেও কখনও বিরোধীদলের প্রকাশ্যে সমালোচনা করে না। কারন তারা জানে এই রাজনৈতিক সমর্থন কিংবা সমালোচনামূলক কথা বার্তা থেকে খারাপ কিছু হতে পারে। কোথাও এরকম বিরোধপূর্ন তর্কের সৃষ্টি হলে বুদ্ধিমান মানুষ আস্তে কেটে পরে।

(৩) নারীঃ নারীও খুব সেনসেটিভ ইস্যু। নারীঘটিত কোন কেলেকাংরী কিংবা নারী ঘটিত কোন সমালোচনা থেকে বুদ্ধিমান মানুষের কেটে পড়ে অথবা কথার মোড় ঘুরিয়ে নেয়। নারীর প্রতি প্রতিটি মানুষের একটি বিশেষ মনোভাব থাকে। দেখা যায়, কোন নারী কোন ধরনের অপরাধ করলেও সাথের পুরুষটির এক্ষেত্রে সকল দায় দায়িত্ব নিতে হয় অথবা সব দোষ তার ঘাড়ে এসে পরে। তাই বুদ্ধিমান মানুষ এই সব আলোচনার ক্ষেত্রে খুবই সতর্কতা বজায় রাখে এবং কোন রকম তর্কে জড়ায় না।

(৪) ধর্মঃ ধর্ম নিয়ে প্রায়শই আমরা বিভিন্ন ধরনের আলোচনা কিংবা সমালোচনা শুনে থাকি। বুদ্ধিমান মানুষেরা ধর্ম নিয়ে সকল ধরনের তর্ক থেকে নিজেকে দূরে রাখে। কারন দেখা যায় অনেক ব্যক্তি তর্ক করতে গিয়ে ধর্মের বা ধর্মীয় গ্রন্থের বিভিন্ন ধরনের বানোয়াট উদ্ধৃতি দিয়ে থাকে। যেটার রেফারেন্স তর্ককারী কখনো দেয় না। তাই বুদ্ধিমান মানুষ জানে ধর্ম নিয়ে কারো সাথে তর্ক করা একদমই বেকার কাজ। সুতরাং ধর্ম নিয়ে সকল ধরনের সমালোচনা এবং তর্কাতর্কি থেকে বুদ্ধিমান মানুষ নিজেকে দূরে রাখে।

উপরোক্ত চারটি সেনসেটিভ ইস্যু নিয়ে যে কোন ধরনের তর্ক বুদ্ধিমান মানুষ এড়িয়ে চলে। যদি কোন ব্যক্তি নিজেকে বুদ্ধিমান ভাবেন তাহলে অবশ্যই এই চারটি বিষয় নিয়ে নিজেকে সকল ধরনের তর্ক থেকে দূরে রাখেন।

বি:দ্র: আমাদের প্রতিটি লেখার নিয়মিত আপডেট পেতে আমাদের ফেসবুকপেজ-এ লাইক দিন এবং বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন। আপনার মনে কোন প্রশ্ন থাকলে এবং যেকোন বিষয়ে জানতে চাইলে অথবা আপনার কোন লেখা প্রকাশ করতে চাইলে আমাদের ফেসবুক পেজ বিডি লাইফ এ যেয়ে ম্যাসেজ করতে পারেন।

ফেসবুকের হোমপেজে নিয়মিত আপডেট পেতে নিচের লাইক বাটনে ক্লিক করুন

⇒ লেখাটি ভালো লাগলে প্লিজ বন্ধুদের সাথে শেয়ার করবেন। শেয়ার করতে √ এখানে ক্লিক করুন

আপনার ফেসবুক একাউন্ট থেকে খুব সহজেই কমেন্ট করুন

মন্তব্য করুনঃ

দয়া করে আপনার মন্তব্য লিখুন
দয়া করে আপনার নাম লিখুন

18 − 5 =